তিনি আরো বলেন, বিএনপির কাছে কৃষকরা সার চাইলে গুলি খেতে হতো কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের কাছে সার চাইতে হয় না, কৃষকের বাড়িতে সার পৌঁছে যায়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, গবেষণা ছাড়া কোনো দেশে অগ্রগতি করতে পারে না। আর গবেষণার খাতে ক্ষেত্রে আমাদের কোনো অর্থই বরাদ্দ ছিল না। একদিকে গবেষণার জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছি অন্যদিকে কৃষকদেরকে সহায়তা দিচ্ছি। কারণ তারাই মাঠে কাজ করে, তারাই ফসল ফলায়।
তিনি আরো বলেন, ‘হাইব্রিড ধান গবেষণা করে বাংলাদেশ সাফল্য অর্জন করেছে। গবেষণার মাধ্যমে জলমগ্ন এবং খরা সহিষ্ণু ধান উৎপাদনেও আমরা যথেষ্ট সাফল্য অর্জন করেছি। আমরা দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি। দেশের মানুষ খেয়ে পরে সুখে থাকবে সেটা আমরা চাই।’
অতীতে কৃষকের ওপর নির্যাতনের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই কৃষকরা এক সময় সার চাইতে গিয়ে বিএনপি সরকারের হাতে গুলি খেয়েছে। আল্লাহর রহমতে আওয়ামী লীগ সরকারের পর কোনো কৃষককে সারের পেছনে ছুটতে হয়নি বরং সার কৃষকের পেছনে পেছনে গেছে।’
এর আগে ক্যাম্পাসে পৌঁছে প্রথমেই বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, ইলা মিত্র হল, সুফিয়া কামাল অডিটরিয়াম, শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ হল, ড. ওয়াজেদ মিয়া কেন্দ্রীয় গবেষনাগারসহ ১০টি স্থাপনা উদ্বোধন করেন।
পরে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সুফিয়া কামাল অডিটরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, বশেমুরকৃবি সিন্ডিকেট সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, কৃষিবিদ আবদুল মান্নান এমপি ও কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এমপি।