বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালে শেরপুরের নালিতাবাড়ি উপজেলার সোহাগপুরে ১২০ জন পুরুষকে ধরে নিয়ে হত্যার দায়ে জামায়াতে ইসলামীর আজকের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ আপিল বিভাগের এই বেঞ্চই বহাল রাখে। একাত্তরে ময়মনসিংহের আল বদর নেতা কামারুজ্জামান হলেন দ্বিতীয় ব্যক্তি, যার সর্বোচ্চ সাজার রায় কার্যকরের আগে রিভিউয়ের পর্যায়ে এসেছে।
২০১৩ সালের ৯ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। গতবছর ৩ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ ফাঁসির আদেশই বহাল রাখে। ওই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশের পর গত ১৯ ফেব্রুয়ারি তার মৃত্যু পরোয়ানায় সই করেন ট্রাইব্যুনাল-২ এর তিন বিচারক। এরপর মৃত্যু পরোয়ানা পাঠিয়ে দেওয়া হয় কারাগারে, কামারুজ্জামানকে তা পড়ে শোনানো হয়।
রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশের দিন থেকে ১৫ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করার সুযোগ থাকায় গত ৫ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ৪৫ পৃষ্ঠার এই পুনর্বিবেচনার আবেদন জমা দেয় আসামিপক্ষ, যাতে ৪৪টি যুক্তি দেখিয়ে কামারুজ্জামানের খালাস চাওয়া হয়। কামারুজ্জামানের অন্যতম আইনজীবী তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, আপিল বিভাগের রায়ে একজন বিচারক দণ্ডের বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছিলেন। তার পয়েন্টগুলো ধরেই এই রিভিউ আবেদন করা হয়েছে।