ওম্যান্স কর্ণারের ১২ টিদোকানে নগদ প্রায় ৫ লক্ষ টাকা, ওষুধ পত্র, ফ্রিজ, স্বর্ণ অলঙ্কার, কাপড়, সোলার, টেলিভিশন, সেলাই মেশিন, গালামাল দোকানের চাল, ডাল তৈল সহ অন্যান্য সামগ্রী পুড়ে যায়।
এ ব্যাপারে গোড়ল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মাহমুদুল ইসলাম জানান, বৈদ্যুতিক শর্ট সাকিট থেকে অগ্নি কান্ডে সুত্র পাত ঘটে। সীমান্তে এই ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের পূর্নবাসনের জন্য সকারের সহযোগীতা প্রয়োজন।
ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা বলেন, সরকারি খরচে সাধারন জনগনের কর্মসংস্থানের জন্য এ ওম্যান্স কর্ণারে নির্মান করা হয়েছিলো। তবে ১০-১২ বছর পরে আমাদের সবার আর্থিক স্বচ্ছলতা হয়েছে। কিন্তু এ অগ্নিকান্ডে আমাদের নগদ অর্থসহ সব শেষ হয়ে গেলো। তাই সরকারের পক্ষ থেকে আমাদেরকে কিছু সহয়তা দিলে আমরা আবার ব্যবসা শুরু করতে পারবো।