তিনি বলেন, পরিকল্পনাকারী মেজর (চাকরিচ্যুত) সৈয়দ জিয়াউল হক, নিহত তামিম আহমেদ চৌধুরী ও মারজান ছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ে জড়িত আরও আটজনকে শনাক্ত করা হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, তারা তামিম চৌধুরীকে প্রায় এক বছর ধরে খুঁজছিলেন। তবে একাধিক জঙ্গি হামলায় তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলে গত ফেব্রুয়ারিতে। এরপর কল্যাণপুরের জঙ্গি আস্তানার নমুনা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পুলিশ তার ব্যাপারে পুরোপুরি নিশ্চিত হয়।
মনিরুল ইসলাম জানান, শনিবারের অভিযানে নিহত ফজলে রাব্বীর বাড়ি যশোরে। যশোরের পুলিশ তাকে নিয়ে নিখোঁজের পোস্টার ছাপিয়েছিল। নিহত আরেকজন তাহজিদ হাসান বলে ধারণা করা হচ্ছে। সে ধানমণ্ডি থেকে নিখোঁজ ছিল।