ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে দেদারসে চলছে ক্রিকেট জুয়া

রাণীশংকৈল প্রতিনিধি: 
ঠাকুরগাওয়ের রাণীশংকৈলে উপজেলার সর্বত্রই দেদারসে চলছে ক্রিকেট জুয়া। পাড়া মহল্লা, হাট বাজার, এমনকি গ্রামাঞ্চলেও ক্রিকেট জুয়া ছড়িয়ে পড়েছে ব্যাপকহারে। জড়িয়ে পড়ছে স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীসহ ব্যবসায়ীরা অনেকেই। এরই মধ্যে কিক্রেট বাজি ধরতে গিয়ে ল্যাপটপ, মোবাইল, মোটরসাইকেল, স্বর্ণের চেইন, নগদ টাকা হারিয়ে পথে বসেছে। ক্রিকেট জুয়াড়ীরা এখনো গোয়েন্দাদের ধরা ছোঁয়ার বাইরে। তবে থেমে নেই ক্রিকেট জুয়া, ক্লাবে পাড়ায় মহল্লায় অফিসে সর্বত্রই জায়গা করে নিয়েছে এখন তা সবার মুখে মুখে। উপজেলার শত শত স্পটে ক্রিকেট খেলা নিয়ে চলছে লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি। বাজিকররা খেলার দলগত হারজিত, পাওয়ার প্লেতে কত রান, প্রতি ওভার বল বাই বল রান, ওভারে ছয়/ছার দলের মোট রান, খেলায় কয়টি উইকেট পড়বে, খেলায় কে সেঞ্চুরী করবে এছাড়া আরো অনেক কিছুতে চলে লাখ লাখ টাকার বাজি। সাম্প্রতিক সময়ে ক্রীড়াঙ্গণে আলোচিত বিষয় ক্রিকেট নিয়ে জুয়াড়ীর জুয়া, যা সমাজের অবক্ষয়ের আশংকায় পরিণত করবে এমন মন্তব্য অভিভাবক মহলের। কয়েকজন বাজিকর জানায়, নগত অর্থ লেনদেন ছাড়গাও দিনাজপুর বগুড়া, ঢাকা সহ দেশের কয়েক স্থানে মোবাইলের মাধ্যমে বড় ধরনের বাজি ধরা হয়। দিনের নির্দিষ্ট সময়ে বিকাশে টাকা লেনদেন চলে। এক্ষেত্রে বিশ্বাস থাকা জরুরী বলে তারা জানায়। বাজিধরা এখানকার রিতিতে পরিণত হয়েছে। বাজি ধরা হয় যে কোন খেলায়। এক ব্যবসায়ি জানান, এই ক্রিকেট জুয়ায় তিনি আজ নিঃস্ব সবকিছু হারিয়ে আত্মীয় স্বজন বন্ধু বান্ধবের নিকট ঋণ করা ছাড়াও সুদের উপর টাকা নিয়ে ক্রিকেট জুয়া খেলেছি। অনুসন্ধানে দেখা যায়, উপজেলার নেকমরদ বাজারে এই জুয়া ভয়াবহ রূপ আকার ধারণ করেছে। এখানে অনেক ব্যবসায়ী তরুন যুবক ক্রিকেট জুয়া খেলে হয়েছে নিঃস্ব-স্বর্বশান্ত। স্কুল পড়ুয়া ছাত্ররা ক্রিকেট জুয়া নিয়ে এতটায় মেতে উঠেছে তা কল্পনাতিত। এ অবস্থায় অনেক অভিভাকই উদ্বিগ্ন। তারা স্থাণীয় প্রশাসনের কাছে জুয়ারীদের আড্ডায় হানা দিয়ে এসব জুয়া বন্ধের জোর দাবী জানিয়েছেন।

রাণীশংকৈল থানা অফিসার ইনচার্জ সুকুমার মোহন্ত জানান, যদি কেউ আমাদের অবহিত করে তবে অবশ্যই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম জানান, ক্রিকেট জুয়ার কথা শুনেছি। তবে সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকায় কোন পদক্ষেপ নিতে পারছিনা।

Comments (0)
Add Comment