পাটগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) সহিদুল ইসলাম জানান, ধরলা ব্রীজের নিচে লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। লাশটি দেখতে আসা স্থানীয়দের মধ্যে জিতেনের নিকট আত্মীয়রা লাশটি সনাক্ত করেন।
স্থানীয়দের ধারনা লাশটি ভারত থেকে ধরলা নদী হয়ে স্রোতের টানে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ধরলা ব্রীজের নিচে আটকে যায়। খবর পেয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী(বিএসএফ) চ্যাংরাবান্ধা ক্যাম্পের জওয়ান ও ভারতীয় পুলিশ এসে লাশের ছবি তুলে চলে যান। পরে পাটগ্রাম থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশের মাঝে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে লাশের পরবর্তি সিদ্ধান্ত হবে। পতাকা বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে।
পাটগ্রাম থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) রেজাউল করিম বলেন, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ লাশটি সনাক্ত করেছেন। ভারত চাইলে লাশের ময়নাতদন্ত করে লাশ হস্তান্তর করা হবে। অথবা বিনা ময়নাতদন্তে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের নিকট লাশ হস্তান্তর হতে পারে। এ ব্যাপারে পতাকা বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে।
বাংলাদেশেরপত্র/এডি/আর