পীরগাছা প্রতিনিধি, রংপুর:
রংপুরের পীরগাছায় অগ্রণী ব্যাংক নেকমামুদহাট শাখা ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় গ্রাহকদের মাঝে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। নড়েচড়ে বসেছে ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ। গত ২৫ মার্চ “পীরগাছায় অগ্রণী ব্যাংক ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগ” শিরোনামে আলোকিত বাংলাদেশ, দেশেরকন্ঠ, ইত্তেফাকসহ বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর গত রোববার ও সোমবার অগ্রণী ব্যাংক রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তদন্ত করেন। তদন্তের সময় গ্রাহকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা জানান, ইতোপূর্বে একাধিকবার গ্রাহকরা অভিযোগ করলেও অজ্ঞাত কারণে ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ অভিযোগগুলি ধামাচাপা দেন। এবারো রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা লোক দেখানো তদন্ত করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে অভিযোগকারীদের নামে বেনামে ঋণ দিয়ে ম্যানেজ করে ব্যাবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান দুর্নীতি থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে। তদন্তের বিষয়ে দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত টিমের প্রধান অগ্রণী ব্যাংক রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার নজরুল ইসলাম চৌধুরী জানন, বিষয়টি পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পরে তদন্ত চলছে। শ্রীঘ্রই তদন্ত প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হবে। উল্লেখ্য, অগ্রণী ব্যাংক নেকমামুদহাট শাখার ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতি উৎকোচ বাণিজ্যসহ দালালের মাধ্যমে ভূয়া কৃষি ঋণ বিতরণ দেখিয়ে ঋণের বিপরীতে সমুদয় অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাতের অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত অভিযোগ করলে ওই অভিযোগে স্থানীয় সাংসদ বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রযোজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করেন।