এদিকে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ক্যাম্পাসে বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা স্টল সাজিয়ে বাঙ্গালি ঐতিহ্যের নানা চিত্র তুলে ধরেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম নূর-উন-নবী সিনিয়র শিক্ষকবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। অপরদিকে দিনব্যাপী মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন বিভাগ দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বাঙ্গালি খাবারসহ পৃথক পৃথক নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম নূর-উন-নবী বলেন, আমরা এখন থেকে সামনের দিকেই এগিয়ে যাবো। পেছনের সকল গøানি মুছে ফেলে বিশ্ববিদ্যালয় তথা দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাবো। এমন অঙ্গিকার হোক আজকের নববর্ষে।
তিনি নববর্ষে ইলিশ না খাওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ‘পহেলা বৈশাখের সাথে ইলিশের কোন সম্পর্ক নেই। পহেলা বৈশাখে ইলিশ নয় বরং নুন-পান্তা-তেল-মরিচই উপযুক্ত খাবার। সাথে ভর্তা বা ডিম ভাজিই যথেষ্ঠ হতে পারে। তাছাড়া ইলিশ প্রজননের এই সময়ে বাঙ্গালী উৎসবের নামে ইলিশ উৎসব করা হলে সাগরে ইলিশের সংখ্যা কমে যাবে। প্রজনন সময়ে উৎসবের নামে ইলিশ নিধন হলে অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্থ হবে।’ তাই তিনি পহেলা বৈশাখে পান্তা-ইলিশের চর্চা পরিহার করতে সকলের প্রতি আবারো আহবান জানান।