পরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম নূর-উন-নবী। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অমর। তিনি আমাদের মাঝেই বেঁচে আছেন। তিনি যুগ যুগ ধরে চিরদিন বাঙ্গালির হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন। বঙ্গবন্ধু কে বাদ দিয়ে বাংলাদেশ কল্পনা করা যায় না।
শিশুদের উদ্দেশ্যে উপাচার্য বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে তোমাদের এখন থেকেই নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে হবে।’ উদযাপন কমিটির আহবায়ক প্রফেসর ড. মোঃ মোরশেদ হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মতিউর রহমান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. তাজুল ইসলাম, উপাচার্যের সহধর্মিনী মিসেস গুল নাহার নবী। সভায় ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক লিখিত প্রবন্ধ পাঠ করেন বাংলা বিভাগের প্রফেসর ড. নাজমুল হক। পরে জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন স্কুলের শিশুদের অংশ গ্রহণে অনুষ্ঠিত চিত্রাঙ্কন, কবিতা আবৃত্তি ও সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন উপাচার্যসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
এছাড়া জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭ তম জন্মদিন এবং জাতীয় শিশু দিবস ২০১৬ উপলক্ষে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও বাংলার মুখ বেরোবি শাখার আয়োজনে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ ঘটিকায় সংগঠন দুটির উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শোভাযাত্রা শেষে স্বাধীনতা স্মারকে বঙ্গবন্ধুর অস্থায়ী প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাফেটেরিয়া ভবনে আলোচনা সভায় বক্তারা জাতির জনকের ত্যাগ ও মহিমার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তার আদর্শ ও চেতনায় সবাইকে উজ্জীবিত হওয়ার আহবান করেন।
অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু পরিষদের আহবায়ক ড. আর এম হাফিজুর রহমান, সদস্য সচিব ও বাংলার মুখের সভাপতি মশিউর রহমান, বাংলার মুখের সিনিয়র সহ-সভাপতি নুরুজ্জামান খান ও অবিনাশ চন্দ্র সরকার, রসায়ন বিভাগের শিক্ষক এইচ এম তারিকুল ইসলাম, শিক্ষক বিপুল হোসেন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।