ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ওই এলাকার আনোয়ারুল, পানঠু কুমার, আলন জানান, ভোট গণণা শেষে প্রিজাইডিং অফিসার মো. গোলম মোস্তফা মোরগ প্রতিকে ৪৩২ ও বল প্রতিকে ৪১৬ ভোট প্রাথমিক ভাবে ফলাফল ঘোষনা করেন । সন্দেহজনক হলে বল প্রতিকের এজেন্ট তসলিম পুনরায় ভোট গণণার আবেদন জানান। তিন শত ব্যালট গণণার পর মোরগ প্রতিকের ১০টি ভোট কমে আসে। বাকি ভোটগুলো গণণার দাবি জানালে উপজেলায় সব ভোট গণণা করা হবে বলে প্রিজাইডিং অফিসার জানান বলে এমন অভিযোগ উঠে। তাৎক্ষনিকভাবে ফলাফল ঘোষনা করার জোর দাবি জানায় মোরগ প্রতিকের প্রার্থী হায়দার আলীর লোকজন। মোরগ প্রতিকের এজেন্ট আ. হামিদ প্রিজাইডিং অফিসারের সাটের কলার ধরে টানা হেঁচড়া করে ঘরের মধ্যে আটক রাখে। এক পর্যায়ে তার পক্ষের লোকজন পরিবেশ অশান্ত করে তোলে। টায়ারে আগুন লাগিয়ে আতঙ্ক ছড়ায়। গাড়ি ভাংচুর করে ও প্রশাসনের গতি রোধ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসন হার্ড লাইনে অবস্থান নেয়। এসময় লাঠি চার্জের আঘাতে আহত হয়ে মোরগ প্রতিকের সমর্থিত কর্মী হাবিল, আ. হামিদ, সাহাবুদ্দিন, হায়দার আলী, খাদেমুল, মাজহারুল, আশরাফুল, সাদ্দম হোসেন, বাবুল, আব্দুলের স্ত্রীসহ বেশ কয়েকজন মহিলা আহত হয়।
এ ঘটনায় রাণীশংকৈল থানার এসআই আব্বাস বাদী মামলায় আসামী করা হয় উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সদস্য শারওয়ার আলম রতন, ১নং ওয়ার্ড সহ-সভাপতি বিষ্ণ রায়, সাধারণ সম্পাদক সুবাস, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান ওরফে আবুল, সদস্য তসলিমসহ অজ্ঞাত অনেককে। মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে দাবি করেন আসামিরা।
মামলার বাদি এসআই আব্বাসের সাথে মুঠোফোনে তিনি জানান, ঘটনাস্থলে হাজার হাজার লোক ছিল সঠিক কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে ৪ থেকে ৫ শত জন অজ্ঞাত নামা আসামী আছে অপরাধীদের অবশ্যই ধরা হবে।
ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের এমপি অধ্যাপক মো. ইয়াসিন আলী বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের জন্য প্রশাসনকে বলা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত নয় এমন কেউ যেন মামলার আসামী হয়ে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সে ব্যাপারে ও বলা হয়েছে।