গত বছর বিদ্রোহীরা ত্রিপোলি দখল করে নেওয়ার পর পূর্বাঞ্চলীয় শহর তবরুকে কার্যলয় স্থাপন করে লিবিয়ার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সরকার।
আল-থিনি বলেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে আমি পদত্যাগ করব এবং আগামী রোববার আমার পদত্যাগপত্র প্রতিনিধি পরিষদের সামনে উত্থাপন করব।’ লিবিয়া চ্যানেল নামে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে এ কথা বলেন তিনি।
এদিকে টেলিভিশন সাক্ষাৎকারের পর আল-থিনির মুখপাত্র হাতেম আল-আরাইবি প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করছেন না। কারণ তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পদক্ষেপ নেননি।
যেনতেন রকমে সরকার পরিচালনার জন্য তীব্র সমালোচনার মুখে আছেন আল-থিনি। ত্রিপোলির নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার দেশের অধিকাংশ রাজ্যেরই নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। বিদ্রোহীদের প্রতিদ্বন্দ্বী সরকারই কার্যত সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করছে। তাহলে দুটি সরকার থাকার দরকার কি- এমন প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে আল-থিনির সরকারকে।