সিরিয়ার শরণার্থীদের সহায়তার দাবিতে শনিবার প্রায় এক লাখ লোক লন্ডনে মিছিল করেছে। মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন লেবার পার্টির নতুন নেতা জেরেমি করবিন। কয়েক হাজার লোকের পৃথক একটি মিছিল ডাউনিং স্ট্রিটে প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের বাসভবনের দিকে গিয়েছে। মিছিলকারীদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল-‘ সীমান্ত খুলে দাও’, ‘শরণার্থীরা আসুক, ‘টোরিরা বেরিয়ে যাক’। বিক্ষোভে অংশ নেয়া দুসান পেতকোভিক নামে একজন বলেন, ‘এই মিছিল থেকে এটা পরিষ্কার, শরণার্থী ইস্যুতে সরকারের পদক্ষেপ ভুল।’ প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন গত সপ্তাহে ব্রিটেনে ২০ হাজার সিরীয় শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে বিক্ষোভকারীদের দাবি এ সংখ্যা আরও বাড়াতে হবে।
ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে সংসদ ভবনের বাইরে বিক্ষোভ করেছে প্রায় ৩০ হাজার লোক। এসময় বিক্ষোভকারীরা ‘চিৎকার করে বল, পরিস্কার করে বল, শরণার্থীরা এখানে স্বাগতম।’ মোহাম্মদ হারা নামে এক বিক্ষোভকারী বলেন, ‘আমি এখানে সেসব শরণার্থীদের সমর্থণের জন্য এসেছি, যারা ঘরবাড়ি ছেড়ে আসতে বাধ্য হচ্ছে। কারণ সিরিয়ায় বোমা হামলা ও হত্যাযজ্ঞ চলছে।’ প্রসঙ্গত, শুক্রবার ডেনিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, তারা ইতিমধ্যে ন্যায্য সংখ্যক শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে। ১ লাখ ৬০ হাজার শরণার্থীকে ভাগ নেয়ার ইইউর নতুন প্রস্তাব তারা মানতে রাজি নয়। শরণার্থীদের সমর্থণে ফ্রান্স, অস্ট্রিয়া, নেদারল্যান্ডস ও অস্ট্রেলিয়াতেও বিক্ষোভ হয়েছে।
বাংলাদেশেরপত্র/এডি/আর