বিশ্বকাপের ফাইনালের চাপটা যেন নিতে পারলো না নিউজিল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার একের পর এক আঘাতে ১৮৩ রানেই গুটিয়ে গেল তারা। ৪৫ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে এ রান করতে সক্ষম হয় ম্যাককালাম বাহিনী। আর পঞ্চমবারের মতো শিরোপা জিততে অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজন ১৮৪ রান।
ম্যাককালাম, গাপটিল ও উইলিয়ামসনের বিদায়ের পর নিউজিল্যান্ড প্রথমেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। এলিয়টের অর্ধশতক ও টেইলরের ৪০ রানের ওপর ভর করে কিউইরা কিছুটা এগিয়ে যায়। কিন্তু ৩৫ ওভারের পর থেকে আবারো পর পর ৩ উইকেটের পতনে বিপর্যয়ে পড়ে ব্ল্যাকক্যাপরা। ৩৫.১ ও ৩৫.৩ ওভারে ফকনারের দুর্দান্ত বোলিংয়ে টেইলর ও এন্ডারসন সাজঘরে ফিরে যান। এন্ডারসন শূন্য রান করেন। কিন্তু তারা সাজঘরে ফিরতে না ফিরতে পরের ওভারেই আবারো আঘাত হানেন স্টার্ক। লুক রঞ্চিকে শূন্য রানে ফেরান তিনি। ভেট্টরি ৪০তম ওভারে ৯ রানে বোল্ড হন ওয়াটসনের বলে। পরের ওভারেই গ্রান্ট এলিয়টের বিদায় ঘণ্টা বেজে যায়। তিনি ৮৩ রানে ফকনারের বলে ক্যাচ দেন উইকেট কিপার হ্যাডিনের হাতে।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে প্রথম থেকেই চাপের মুখে ছিল দলটি। প্রথম আঘাত করেন মিচেল স্টার্ক। তার প্রথম ওভারের ৫ম বলে অধিনায়ক ব্যান্ডন ম্যাককালাম বোল্ড হয়ে যান। তিনি শূন্য রানে সাজ ঘরে ফিরেন। দ্বিতীয় উইকেটটি জায়েন্ট ম্যাটসম্যান মার্টিন গাপটিলের। ১২তম ওভারে ১৫ রানে গাপটিলকে ফিরিয়ে দেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ঠিক পরের ওভারেই জনসনের শিকার কেন উইলিয়ামসন। ১২ রান করতে সক্ষম হন তিনি।
বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ড।
অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে রবিবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৯টায় নিউজিল্যান্ড অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয়। উদ্বোধনী ব্যাটিংয়ে নামেন ব্র্যান্ডন ম্যাককালাম ও মার্টিন গাপটিল। অস্ট্রেলিয়ার জনসন ৩০ রানে ৩ এবং ফকনার ৩৬ রানে ৩ উইকেট নেন।
ফাইনালের দুই দলেই কোনো পরিবর্তন করা হয় নি। টসে জয় লাভের পর অস্ট্রেলিয়াকে ফিল্ডিংয়ে পাঠান নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক ব্যান্ডন ম্যাককালাম। শেষ ওয়ানডে খেলতে নামা অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্কও জানান, টসে জিতলে তিনিও ব্যাটিং বেছে নিতেন।