গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম খামার দশলিয়া গ্রামে মনিরা আকতার ময়না (৩০) নামে এক গৃহবধূকে সোমবার সন্ধ্যায় হত্যার পর পুকুরে লাশ ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে স্বামী লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর থেকে লুৎফর রহমান, শশুর নবির হোসেন ও তার বাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে। মনিরা আকতার ময়না ওই গ্রামের লুৎফর রহমানের স্ত্রী ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার রামজীবন ইউনিয়নের সুবর্ণদহ গ্রামের মফিজুল হকের মেয়ে।
পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, ২০০৩ সালে ময়নার সাথে লুৎফরের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। এরমধ্যে ময়না শারীরিক প্রতিবন্ধী একটা মেয়েসহ ৪ সন্তানের জন্ম দেয়। লুৎফর প্রায়ই ময়নাকে মানুষিকভাবে নির্যাতন ও শারীরিকভাবে মারপিট করতো। এসব বিষয়ে কয়েকবার সালীশ বৈঠক হয়। সোমবার দুপুরে ময়না বাবার বাড়িতে বেড়াতে যেতে চাইলে লুৎফরের সাথে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে ময়নাকে মারপিট করে। এরপর থেকে ময়নাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের পুকুরে লাশ পড়ে থাকতে দেখতে পাওয়া যায়। ময়নার লাশ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে।
সাদুল্যাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরহাদ ইমরুল কায়েস জানান, ঘটনাটি হত্যাকান্ড কিনা তা তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে স্বামী ও শশুরবাড়ির লোকজন পলাতক থাকায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।