সালথায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত-২২

সালথা (ফরিদপুর) সংবাদদাতা-
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বল্লভদি ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া গ্রামে গতকাল মঙ্গলবার সকালে সদ্য বিজয়ী চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামের বিজয় মিছিলে রং ছিটানো নিয়ে বাক বিতন্ডা হয়। এসময় চেয়ারম্যান বিষয়টি তাৎক্ষনিক মিটিয়ে দেন। পরে দুপুর ১টার দিকে ফুলবাড়িয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে বিজয়ী চেয়ারম্যানের খাবার অনুষ্ঠানে সদ্য বিজয়ী চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামের সমর্থকদের সাথে বল্লভদি ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ডের সদ্য বিজয়ী মেম্বার এর সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। এসময় উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় উত্তেজিত জনতা ৪/৫টি বসতঘর কোপায়। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২২জন আহত হয়। খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। আহতদের নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মুকসুদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় বর্তমানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

আহতরা হলেন-টুকু ফকির (৬০), সেন্টু মোল্যা(৩০), তুষার (৩৫), মোশারফ ফকির(৪২), বাদল (৩২), আনোয়ার মোল্যা (৪২), কালাম ফকির (৪৮), সূর্য শরিফ (৬০), কাদের ফকির(৫৫), আলমগীর শরীফ(৪২), নুর ইসলাম (৪৩), হারুন (৩৬), জাকির সেক(৩২), হবি ফকির (৪০), সানু(৪২), শহিদুল ইসলাম (২৫), সোহেল বেপারী (২০), কাইয়ুম মুন্সী (১৭), মনির মাতুব্বর(৩০), হারুন মোল্যা(১৮), হাসান মোল্যা (২৮), নুরু সেক(৩০), কোহিনুর বেগম(৩৫), কুলসুম খানম(১৪)। বাকীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

চেয়ারম্যান নুরুল ইমলাম বলেন, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে একই দলের মধ্যে একটা অঘটন ঘটেছে। এখানে আমি ও ইউনুছ মোল্যা আলাদা নই। আমার দুই সমর্থকের মধ্যে কথাকাটাকাটির সময় এপাড়া আর ওপাড়ার গ্র“পিং হওয়ার কারনে এ সংঘর্ষ বাধে। আহত সবাইকে আমি হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। এঘটনায় কোন মামলা হবে না।

এ ব্যাপারে সালথা থানার ওসি ডী.এম বেলায়েত হোসেন বলেন, বর্তমানে পরিবেশ শান্ত রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

Comments (0)
Add Comment