স্কটিশদের ছুড়ে দেওয়া মাত্র ১৩০ রানের চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ পাড়ি দিতে গিয়ে হোঁচটই খাওয়ার কথা নয় অস্ট্রেলিয়ার। তবুও তিনটি উইকেট হারাতে হলো এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট অস্ট্রেলিয়াকে। শেষ পর্যন্ত ২০৮ বল (৩৪.৪ওভার) হাতে রেখেই ৭ উইকেটের বিশাল জয় পেলো অস্ট্রেলিয়া। বার কয়েক বৃষ্টির হানায় বাধাপ্রাপ্ত হওয়া ম্যাচটিতে স্কটিশদের করা ১৩০ রানের জবাবে খেলতে নেমে মাত্র ৩০ রানের মাথায় হারাতে হয়েছে অ্যারোন ফিঞ্চের উইকেট। ২০ রান করে সাজ ঘরে ফেরেন এ অসি ওপেনার। ফিঞ্চ আউট হয়ে গেলেও ওয়াটসনকে নিয়ে মাইকেল ক্লার্ক ভালোই একটা জুটি গড়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু দলীয় ৮৮ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ২৪ রানে জস ডেভির বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন শেন ওয়াটসন। ওয়াটসনের পর উইকেট হারাতে হলো মাইকেল ক্লার্ককেও। ৪৭ রানে পৌঁছার পর হাফ সেঞ্চুরিটাও করতে পারলেন না। ইয়ান ওয়ার্ডলর বলে মাইকেল লিস্কের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান ক্লার্ক। এরপরই মধ্যাহ্ন বিরতিতে যায় দু’দল। শেষ পর্যন্ত জেমস ফকনার আর ডেভিড ওয়ার্নার মিলে অস্ট্রেলিয়াকে জয় এনে দেন। মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্সের বিধ্বংসী বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টসে হেরে ১৩০ রানে গুটিয়ে যায় স্কটল্যান্ড। অসি পেসারদের তোপের মুখে পড়ে পাঁচ স্কটিশ ব্যাটসম্যান রানের খাতাই খুলতে পারেন নি। স্কটল্যান্ডের হয়ে ম্যাট ম্যাচান ৪০ ও জস ডেভি করেন ২৬ রান। এছাড়া মাইকেল লিয়াস্ক ২৩ ও ম্যাকলয়েড করেন ২২ রান। আর কোনো স্কটিশ ব্যাটসম্যান রানের খাতা খুলতে পারেন নি। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নিয়ে চলতি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রহকারীদের তালিকায় সবার ওপরে উঠে গেছেন মিশেল স্টার্ক। এছাড়া প্যাট কামিন্স তিনটি এবং ওয়াটসন, জনসন ও ম্যাক্সওয়েল একটি করে উইকেট লাভ করেন।