সংযুক্ত আরব আমিরাতও সৌদি আরবের মতোই শক্তিশালী। তারপরও আজকের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে চায় বাংলাদেশ দল। কোচ সৈয়দ গোলাম জিলানী রক্ষণাত্মক কৌশল ছেড়ে দলকে খেলাতে চান আক্রমণাত্মক কৌশলে। সৈয়দ গোলাম জিলানী বলেন, ‘নিঃসন্দেহে তারা আমাদের থেকে অনেক এগিয়ে। তারপরও আমাদের লক্ষ্য থাকবে ভালো ফুটবল খেলা। নেতিবাচক নয়, ইতিবাচক ফুটবলই খেলতে চাই আমরা।’
অপরদিকে আরব আমিরাতও জয় নিয়ে দেশে ফিরতে চায়। দেশটির কোচ আব্দুল্লাহ আল শাহীন জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়েই তারা বাংলাদেশে এসেছেন। জয় নিয়েই দেশে ফিরতে চান। ঢাকায় আসার আগে দুবাইয়ে ২২ দিন প্রশিক্ষণ নিয়েছে আরব আমিরাতের কিশোররা। এর মধ্যে জর্ডানের সঙ্গে দুটি ম্যাচ খেলে দুটিতেই জিতেছে তারা। তবে সর্বশেষ প্রস্তুতি ম্যাচে শক্তিশালী ইরাকের কাছে ২-১ গোলে হেরেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। এ ছাড়া সৌদি আরব, কাতারের সঙ্গেও প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে আমিরাত।
২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে ১৬ দল নিয়ে ভারতে অনুষ্ঠিত হবে এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্তপর্ব। স্বাগতিক হওয়ায় বাছাইপর্ব খেলতে হচ্ছে না ভারতকে। বাছাই পর্বের ৪২টি দল থেকে ১১ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন সুযোগ পাবে মূল পর্বে খেলার। তাদের সঙ্গে সেরা চারটি রানারআপ দলও সুযোগ পাবে মূল পর্বে। সেক্ষেত্রে ‘ডি’ গ্রুপে সৌদি আরব ও আরব আমিরাতের মতো কঠিন দলের সঙ্গে লড়াই করে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা বলতে গেলে বাংলাদেশের জন্য অসম্ভব। অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে সেরা রানার্স আপ হওয়াটাও। এবার সেই অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে কিনা বাংলাদেশের কিশোররা সেটাই দেখার বিষয়।
বাংলাদেশেরপত্র.কম/এডি/আর