রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর বলেছেন, সংঘাত কখনো শান্তি আনতে পারবে না, যে কোনো সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। পার্বত্য শান্তি চুক্তি পুরোপুরিভাবে বাস্তবায়ন না হলে ও যেসব সমস্যা চিহ্নিত করা গেছে তা অচিরেই সমাধান করা হবে। তিনি বলেন, আগামী সংসদ অধিবেশনে ভূমিসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে প্রস্তাবনা পেশ করা হবে। এর মাধ্যমে সরকারের পক্ষ থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
বীর বাহাদুর বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম দেশের বোঝা নয়, দেশের সম্পদ। বর্তমান সরকার ইসলাম ধর্মের পাশাপাশি অন্যান্য সকল সম্প্রদায়ের ধর্মের বিষয়টি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর অধিকারের বিষয়টি সুনিশ্চিত করেছেন। বৃহস্পতিবার রাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই পানি উৎসবের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মারমা সাংস্কৃতিক সংস্থার সভাপতি অংশুইছাইন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার, তিন পার্বত্য জেলার সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা, রাঙ্গামাটি রিজিয়ন কমান্ডার সানাউল হক পিএসসি, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মো. সামসুল আরেফিন, রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান, সাংগ্রাই উৎসব পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক উথিন চিং মার্মা প্রমুখ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার বলেন, একসময় পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক কোনো পরিচয় ছিল না। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক নিশ্চিত করেছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর উৎসব বৈসাবীর প্রতি সম্মান জানিয়ে ৪ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে। দীপংকর তালুকদার আরো বলেন, দেশের জন্য ক্ষতিকর এমন দল ও কর্মসূচির প্রতি জনগণ আর সমর্থন দিচ্ছে না। আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ মারমাদের পানি উৎসবের উদ্বোধন করেন। সংঘাত নয়,