এ ব্যাপারে প্রতিবেশীরা জানান, বিথী ও শাহিনের সংশারজীবন ভালই চলছিলো। বৃহস্পতিবার পহেলা বৈশাখ নববর্ষ উপলক্ষে স্বামী শাহিনের নিকট বৈশাখী শাড়ির জন্য স্বামীর নিকট বায়না ধরে। অস্বচ্ছল শাহিনের সামর্থ্য না থাকায় স্ত্রীর আবদার রক্ষা করতে পারবে না বলে জানিয়ে দেন। এ ঘটনায় দু’জনের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। ঘটনার পর গতকাল শুক্রবার সকালেও স্বামী শাহিনের সাথে স্ত্রী বিথীর সাথে একই ব্যাপার নিয়ে আবার ঝগড়া বাঁধে। এসময় শাহিন রাগ করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। পরে অভিমান করে গৃহবধু বিথী নিজ কক্ষের দরজা বন্ধ করে আত্মহত্যা করে। শাহিন ও প্রতিবেশিরা বিকেলে দরজা খোলার জন্যে ডাকাডাকি করেও কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে সকলের নিকট সন্দেহজনক মনে হয়। পরে জানালা খুলে গৃহবধূ বিথীকে সিলিংয়ের সাথে ঝুলতে দেখে অশুলিয়া থানায় খবর দেয়া তারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সন্ধার পর নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে এবং সেই সঙ্গে তাঁর স্বামীকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায় পুলিশ।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আহাদ হোসেন জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্বামীর সাথে অভিমান করেই ঐ গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে। তবে নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়না তদন্ত সম্পুর্ন হলে সঠিক ঘটনা জানা যাবে বলে তিনি জানান।