প্রাচীন মেসোপটেমিয় শহর নিমরুদের ঐতিহাসিক স্থাপত্যাগুলো ধ্বংস করছে ইসলামিক স্টেট (আইএস) যোদ্ধারা। বৃহস্পতিবার থেকে এই প্রাচীন স্থাপত্য ধ্বংসের কাজ শুরু করেছে আইএস। এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের কর্মকর্তারা। ইরাকের মসুল শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে নিমরুদ শহরের অবস্থান। খ্রিস্টপূর্ব ১৩ শতকে শহরটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। প্রাচীন এই নগরের বহু ঐতিহাসিক সামগ্রী বাগদাদ জাদুঘরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে বিশালাকার কিছু মূর্তি শহরটিতে এখনও রয়ে গেছে। বিশাল এলাকাজুড়ে নিমরুদ শহরের অবস্থান। তবে শহরটি পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছেন বৈরুতে অবস্থানরত বিবিসির এক সংবাদদাতা। তবে স্থানীয় উপজাতি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে, আইএস সদস্যরা নিমরুদে এসে মূল্যবান সামগ্রী লুটপাট করেছে এবং পরে তারা এলাকাটি ধ্বসিয়ে দিয়েছে। তারা মূর্তি ও প্রাসাদের দেয়ালগুলো পুরোপুরি ধ্বংস করেছে। গত সপ্তাহে মসুল জাদুঘরে ঐতিহাসিক কিছু ভাস্কর্য হাতুড়ি-বেলচা দিয়ে ধ্বংসের একটি ভিডিওচিত্র প্রকাশ করেছিল আইএস। তাদের দাবি প্রাচীন এই স্থাপত্য তথা মন্দির মিথ্যা মূর্তি দিয়ে ভরপুর। এদিকে প্রাচীন স্থাপত্য ধ্বংসে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন জাতিসংঘের সাংস্কৃতিক কর্মকর্তারা। জাতিসংঘের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সংস্থার ইরাকি পরিচালক আলেক্স প্লাদি এই হামলাকে দেশটির ঐতিহ্যের ওপর ভয়াবহ আক্রমণ বলে অভিহিত করেছেন। ইরাকের পুরাতত্ত্ববিদ ড. লামিয়া আল-গাইলানি বলেন, আইএস আমাদের ঐতিহাসিক নিদর্শন ধ্বংস করছে।