তেহরানের বিতর্কিত পরমাণু কর্মসূচি সীমিত করার ব্যাপারে বিশ্বের প্রভাবশালী ছয় দেশের সঙ্গে ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর কয়েক সপ্তাহের মাথায় এ উদ্যোগ নিল ব্রিটেন। ২০১১ সালে ইরানের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবিতে একদল বিক্ষোভকারী তেহরানের ব্রিটিশ দূতাবাসে হামলা চালালে অনির্দিষ্টকালের জন্য এর কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। ২০১৩ সালে দূতাবাস খোলার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে অনাবাসিক চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স নিয়োগে সম্মত হয় ইরান ও ব্রিটেন।
২০০৩ সালের পর থেকেই হ্যামন্ডই প্রথম ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী যিনি তেহরান সফর করলেন। তার সঙ্গে একটি প্রতিনিধি দলও ছিল। দূতাবাস পুনরায় খুলে দেওয়ার অনুষ্ঠানে ফিলিপ হ্যামন্ড বলেন, ‘২০১১ সালে আক্রমণের পর দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক একেবারে তলানিতে ঠেকেছিল। কিন্তু হাসান রুহানি ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর ধীরে ধীরে সেটার উন্নতি হচ্ছে।’
তিনি বলেন, গত মাসে ঐতিহাসিক পরমাণু চুক্তি ছিল আরেকটি মাইলফলক। পারস্পরিক শ্রদ্ধার পরিবেশ ও যৌথ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কূটনৈতিক শক্তি দেখা গিয়েছিল। দূতাবাস পুনরায় চালু করা তারই একটি যৌক্তিক পরবর্তী পদক্ষেপ। এটি মহান দুদেশের মধ্যে বিশ্বাস ও আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করবে।’ মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইরান একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করেন হ্যামন্ড। তথ্যসূত্র : বিবিসি, আলজাজিরা।