এদিকে নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় সার্ক সামিটে অংশ নিতে যাবেন না ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। মঙ্গলবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বর্তমান সার্ক চেয়ার নেপালকে বলা হয়, আন্তঃসীমান্তে সন্ত্রাসী হামলা বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ কাজে একটি দেশ অব্যাহত হস্তক্ষেপ করে ১৯তম সার্ক সম্মেলনে সফলে অসহযোগিতা করছে।
এমন পরিস্থিতিতে ভারত সরকার এ সম্মেলনে অংশ নিতে অপারগ বলে জানানো হয় বিবৃতিতে। এর আগে সার্কের অন্যান্য সদস্য বাংলাদেশ, ভুটান ও আফগানিস্তান এ সম্মেলন বয়কটের ঘোষণা দেয়।
এর আগেও ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে কার্গিল যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ১৯৯৯ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত সার্ক শীর্ষ বৈঠক স্থগিত রাখতে হয়েছিল।
৯ ও ১০ নভেম্বর পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের সমন্বয়ে গঠিত এ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে। যেহেতু এরই মধ্যে ৪ দেশ যোগ না দেওয়া ঘোষণা দিয়েছে সেহেতু এ সম্মেলন হবে না এটা বলাই যায়। সার্কের নিয়ম অনুযায়ী, যেকোন একটি সদস্য দেশ অংশ না নিলে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় না।