ইয়েমেনে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সমন্বয়ক জেমি ম্যাকগোল্ডরিক এই হামলার তীব্র নিন্দান জানিয়েছেন। দেশটির সরকার এই হামলার জন্য সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটকে দায়ী করেন।
তবে সৌদি আরব এই এই দাবিকে উড়িয়ে দেন। ঘটনার পরপরই যুক্তরাষ্ট্র জানায় তারা এই ঘটনার তদন্ত করছে এবং সৌদি জোটের পক্ষেতোদের সমর্থন কমিয়ে দিয়েছে।
হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, সৌদির সঙ্গে তাদের সম্পর্ক যেকোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে।’ অবশ্য সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বিমান হামলার কথা অস্বীকার করেছে। ইয়েমেনের নিয়ন্ত্রণ হুতি বিদ্রোহীদদের হাতে থাকলেও আন্তর্জাতিক স্বীকৃত সরকারের সঙ্গে তাদের যুদ্ধ করতে হচ্ছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট যাদের সহযোগিতা করছে।
হামলার ঘটনার পর আন্তর্জাতিক সেবা সংস্থা রেডক্রস জানিয়েছে, নিহতদের মরদেহ বহনের জন্য অন্তত ৫শ’ ব্যাগ তারা প্রস্তুত রেখেছেন। উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, বিমান হামলার পর ঐ স্থানে শরীরের কয়েকশ’ টুকরো অংশ তারা পড়ে থাকতে দেখেছেন। এদেরই একজন মুরাদ তৌফিক। তিনি বলছিলেন, জায়গাটিতে রক্তের বন্যা বয়ে গেছে।
বিমান হামলার সময় সবাই হুতি বিদ্রোহীদের মনোনীত দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জালাল আল রৌশানের বাবার জানাজা পড়ছিলেন। হতাহতদের মধ্যে হুতি সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর অনেক সদস্য আছেন বলেও আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। বিবিসি।