কানপুরের সিনিয়র পুলিশ সুপারিন্টেনডেন্ট শলভ মাথুর গণমাধ্যমকে বলেন, ওই সময় প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছিল, তার ওপরে গঙ্গায় তখন ভীষণ স্রোত ছিল। এ কারণে শিবম আর মাকসুদ তলিয়ে যেতে থাকেন। এর পরই বন্ধুদের বাঁচাতে একে একে জলে ঝাঁপ দেন আরও পাঁচ বন্ধু।
তিনি বলেন, কিন্তু স্রোতের সঙ্গে লড়াই খুব বেশীক্ষণ চালাতে পারেননি কেউই। ডুবুরী নামানো হয় কিছুক্ষণের মধ্যেই। প্রায় দুঘণ্টা পরে সাতজনেরই দেহ উদ্ধার করেন ডুবুরীরা। হাসপাতালে নিয়ে গেলে সবাইকেই মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।
তিনি জানান, এদের মধ্যে মাকসুদের বয়স ৩০ এর ওপরে কিন্তু বাকিরা সকলেই ১৯ থেকে ২১ বছর বয়সের। শলভ মাথুর বলেন, সেলফি তুলতে গিয়ে বৃষ্টির মধ্যে পা পিছলে পড়ে গিয়েই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।