বাংলার জনগণকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছিলেন, তোমাদের যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে। প্রত্যেক পাড়ায়, মহল্লায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তার সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাঙালি জাতি দীর্ঘ নয় মাসের বীরত্বপূর্ণ সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে ত্রিশ লক্ষ শহীদের আত্মাহুতি ও ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ হিসেবে একটি রাষ্ট্র বিশ্ব মানচিত্রে স্থাপন করে নিয়েছে।
স্বাধীনতা বিরোধী যুদ্ধাপরাধী নরঘাতকদের বিচারের রায় কার্যকর করা হচ্ছে। অশুভ অপশক্তির দেশ বিরোধী চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, পেট্রোল বোমা, চোরাগুপ্তা বোমা হামলা, জঙ্গি নাশকতা, ধ্বংসাত্মক কর্মকা-, দানবীয় হত্যাসহ সকল অপকর্মের বিরুদ্ধে জাতীয় গণজাগরণ সৃষ্টি করা এবং গণতান্ত্রিক সরকারের সকল উন্নয়নের ধারাবাহিকতাকে জাতির সামনে তুলে ধরা এটাই হোক এবারের ৭ মার্চের অঙ্গীকার। সমগ্র জাতির সাথে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এই দিনটিকে শ্রদ্ধাবনচিত্তে স্মরণ ও পালন করবে।
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি
আগামীকাল সোমবার ভোর সাড়ে ৬টায় বঙ্গবন্ধু ভবন ও দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় এবং দলীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল ৭টায় বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে রক্ষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ। বিকাল ৩ টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা। এ সভায় সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।