কক্সবাজার জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্বাস উদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন আটক অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) বখতিয়ার উদ্দিন।
তিনি বলেন, সাদ্দামকে আটক করা হয়েছে। তবে ইয়াবা নয়, অন্য কারণে। তবে সে সম্পর্কে কিছু বলতে অপাগরতা প্রকাশ করেন তিনি। আদালতের একটি সূত্র জানায়, বিভিন্ন সময় উদ্ধারকৃত ইয়াবা ধ্বংস করার সময় কৌশলে তা সরিয়ে নিয়ে ব্যবসা করতেন কনস্টেবল সাদ্দাম ও আদালতের গাড়িচালক মাহমুদ। সোমবার জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এক সদস্যের কাছে ইয়াবা বিক্রি করতে গিয়ে আটক হয় সাদ্দাম।
এর পরপরই আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটদের উপস্থিতিতে একটি বৈঠক হয়। সেখানে গাড়িচালক মাহমুদকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। এদিকে, পুলিশের একটি সূত্র জানায়, আটক সাদ্দামের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এর তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কাওসার।
এ বিষয়ে এসআই কাওসারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এখন থানার বাইরে রয়েছেন। তাই বিষয়টি জানেন না। থানায় ফিরলে জানতে পারবেন।
বাংলাদেশেরপত্র/এডি/এম