শাহ্ আলম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামে তীব্র শীত ও কনকনে ঠান্ডায় দুর্ভোগে পড়েছে মানুষজন। বিশেষ করে চর-দ্বীপচর ও নদী তীরবর্তী এলাকায় শীত বেশী অনুভুত হওয়ায় শীতকষ্টে দিনাতিপাত করছে নদ-নদী তীরবর্তী মানুষেরা।গত এক সপ্তাহ যাবৎ সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সুর্যের দেখা মিলছে না। এ অবস্থায় গরম কাপড়ের অভাবে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষেরা কাজে বের হতে পারছে না। সবচেয়ে বেশি শীত কষ্টে ভুগছে বৃদ্ধ ও শিশুরা। খড় কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছেন অনেকেই। সন্ধার আগেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে গোটা জনপদ। রাত বাড়ার সাথে সাথেই ঠান্ডার তীব্রতা বাড়তে থাকে। দিনের বেলায় হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহনগুলো।
কুড়িগ্রাম শহরের রিকসা চালক আফজাল হোসেন জানান, কয়দিন থাকি খুব শীত পড়ছে। দুপুর পর্যন্ত ঘর থাকি বাইর হতে পারি না। গরম কাপড় নাই। দুপুরে রিকসা নিয়া বাইর হই। আয় রোজকার একেবারে নাই।
সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র পাড়ের বৃদ্ধ আব্দুল জলিল জানান, হামরা নদী পাড়ের মানুষ। কয়েকদিন থেকে শীতের সাথে ঠান্ডা বাতাস। হাতে পায়ে ঠান্ডা ধরে। রাত হলে হিম পড়ে। গরম কাপড় নাই। ঠান্ডায় ঘরের ভিতরও থাকা যায় না।
কুড়িগ্রাম আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক মোঃ জাকির হোসেন জানায়, গত ৩দিন ধরে এ অঞ্চলের সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২ ডিগ্রী সেলসিয়াসে উঠা নামা করছে। বিডিপত্র/আমিরুল