শুক্রবার সকাল ৯টায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) শেখ মারুফ হাসান সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে বলেন, ‘বন্দীদের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাদের কেরানীগঞ্জ কারাগারে স্থানান্তর করা হচ্ছে।’ এতো বন্দী একসঙ্গে কখনোই স্থানান্তর করা হয়নি। এটা ঐতিহাসিক বলে দাবি করেছেন শেখ মারুফ হাসান।
নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভোর ৪টা থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কড়া নিরাপত্তায় রয়েছেন। ভোর সাড়ে ৫টা থেকে বন্দীদের স্থানান্তরের কাজ শুরু হয়।
এছাড়া যে রাস্তা দিয়ে বন্দীদের কেরানীগঞ্জ কারাগারে নেয়া হচ্ছে ওই রাস্তা ও এর আশপাশে আইন-শৃঙ্খলা বহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন।
কারা সূত্রে জানা যায়, র্যাব, পুলিশ, এপিবিএন সহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ২৬০০ সদস্য বন্দী স্থানান্তর কাজের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন। এছাড়াও ৭০০ কারারক্ষী ও কারা গোয়েন্দা স্থানান্তর কাজে যুক্ত রয়েছেন।
বন্দী স্থানান্তরকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় কারাগার ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আশপাশের রাস্তায় মানুষ ও যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে।
কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুরে সাড়ে চার হাজার বন্দী ধারণ ক্ষমতার নতুন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার গত ১০ এপ্রিল উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।