“সন্দেহভাজন দুজন আমাদের হাতে আছে। একজন হাসপাতালে আছে, আরেকজন আমাদের হেফাজতে” – আজ সাংবাদিকদের এ কথা বলেন শহীদুল হক। তবে এদের নাম-পরিচয় তিনি জানাননি।
তিনি বলেন, এদের বিরুদ্ধে মামলা আজই করা হবে, এর পর তাদেরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে, এবং তাদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। সন্দেহভাজনদের সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তাদের পরিচয় জানা যাচ্ছে, কিন্তু সব তথ্য এখনো যাচাই বাছাই করা যায় নি, বলেন মি. হক।
তবে পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত পুলিশের সাথে কোন যোগাযোগ করা হয় নি। “এ জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা সন্দেহভাজনদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করবে।”
গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারি নামের রেস্তোরাঁয় ওই হামলার পর ইসলামিক স্টেট দাবি করে যে তারাই ওই হামলা চালিয়েছে। আইএসের কথিত ওয়েবসাইটে আক্রমণের সময়ই হামলাকারীদের ছবি এবং নিহতদের সংখ্যা ও ছবি প্রচার করা হয়।
তবে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ বলছে, আক্রমণকারীরা দেশীয় জঙ্গী সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্ট এবং আইএস সংশ্লিষ্টতার কোন তথ্য তাদের কাছে নেই।