আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বৃহস্পতিবারের মধ্যেই নতুন প্রস্তাব জমা দিতে গ্রিসকে ডেডলাইন বেঁধে দিলেন ইউরোজোনের নেতারা। এই প্রস্তাবের ওপর নির্ভর করছে গ্রিসের সঙ্গে ইউরোজেনের চুক্তি হবে কি হবে না। আর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য রোববার শীর্ষ সম্মেলন আহ্বান করেছেন ইউরো নেতারা। সংকটকালীন এই পরিস্থিতিকে ইউরোর ইতিহাসে ক্রান্তিকাল হিসেবে অভিহিত করেছেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্ক।
ব্রাসেলসে জরুরি বৈঠক শেষে মঙ্গলবার ডোনাল্ড টাস্ক বলেন, ডেডলাইন এ সপ্তাহেই শেষ হচ্ছে। অর্থাৎ বৃহস্পতিবারের মধ্যেই গ্রিসকে নতুন প্রস্তাব জমা দিতে হবে।
বিদেশি ঋণদাতাদের শর্তযুক্ত বেইল-আউটের প্রস্তাব গণভোটে গ্রিকরা নাকচ করে দেওয়ার পর জরুরি বৈঠক আহ্বান করেন ইউরো নেতারা। সেই বৈঠক হয়েছে মঙ্গলবার। এ দিনই গ্রিসকে একটি স্বচ্ছ প্রস্তাব দিতে বলা হয়। কিন্তু নতুন কোনো প্রস্তাব হাজির করেননি গ্রিক নেতারা।
রোববারের শীর্ষ সম্মেলনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৮টি দেশের নেতারা অংশ নেবেন। এর আগের দিন শনিবার গ্রিসের দেওয়া নতুন প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা করবেন ইউরো দেশের অর্থমন্ত্রীরা।
এদিকে মঙ্গলবারের বৈঠকে গ্রিসকে সোজা ভাষায় আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। হয় চুক্তি হবে, না হয় গ্রিস ও তাদের ব্যাংক চলমান সংকট মোকাবিলা করবে।
ডোনাল্ড টাস্ক বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গ্রিসের ব্যাংকগুলোর দেউলিয়াত্ব ও ধসের মুখে পড়ার বিষয়টি পুরো ইউরোপের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে। এর বাইরে চিন্তা করার সুযোগ নেই।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ বলেছেন, এটি শুধু গ্রিসের সমস্যা নয়, এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভবিষ্যতের বিষয়।
তবে গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সিস সিপরাস জানিয়েছেন, সামাজিক ন্যায্যতা ও অর্থনৈতিক সহনশীলতার ভিত্তিতে তিনি একটি চুক্তি প্রত্যাশা করছেন। সিপরাসও আশা প্রকাশ করেছেন, এই সপ্তাহের শেষ দিনে নতুন চুক্তির বিষয়ে তারা প্রস্তাব দিতে পারবেন।
তথ্যসূত্র : বিবিসি অনলাইন।