গ্রেপ্তারকৃত চোর চক্রের সদস্যরা হলেন- করিম প্রকাশ বড় করিম (২৫), মিজানুর রহমান শাহেদ(২৪) ও রুবেল (২২)। অভিযানে অাটকের পর গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে যে, এরা গত জুলাই মাসে শুক্রবারে জুমার নামাজের সময় দোকান বন্ধ থাকার সুযোগে ৭ জন সদস্য মিলে মাকের্ট থেকে দোকানের তালা ভেঙে ২৫ ভরি স্বর্ণলংকারগুলো চুরি করে।
নগরীর কোতোয়ালি থানার ওসি জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, গত জুলাই মাসে নগরীর কাজিরডেউরিতে অবস্থিত এ্যাপলো শপিং সেন্টারের গোল্ড ইন নামের একটি স্বর্ণের দোকান থেকে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার চুরির ঘটনায় মামলা দায়ের করেন ওই দোকার মালিক পক্ষ। পরে বিষয়টি এস আই জাহেদের নজরে দিলে তিনি তার নেতৃত্বে এ চুরির ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে। এ ঘটনায় চোর চক্রের ৩ জনকে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি চুরি যাওয়া ১৬ ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মামলার অাই ও উক্ত থানার এস আই জাহেদুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, গত জুলাই মাসে কাজীর দেউড়ি শপিং সেন্টারের ২য় তলায় অবস্থিত গোল্ড ইন নামের একটি স্বর্ণের দোকানে শুক্রবার জুমার নামাজের সময়কে কাজে লাগিয়ে দোকানের তালা ভেঙে ২৫ ভরি স্বর্ণলংকার চুরি করে ওই চোর চক্রের ৭ সদস্যে একটি দল। এ ঘটনায় এ থানায় এর মালিকপক্ষ মামলা দায়ের করলে অামি ও অামার পুলিশ ফোর্স তদন্তে নামি। এরপর প্রায় দেড়মাস পর গতকাল বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ও শুক্রবার দিনে নগরীর বাকলিয়া, মাষ্টারপোল বউবাজার, খুলশীর মতিঝর্ণা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের ৩ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই। অাটকের পর তাদের দেয়া স্বীকারেক্তিতে বাকলিয়ার বউবাজার এলাকার আশালতা জুয়েলার্স নামের জুয়েলারী দোকানে গিয়ে সেখানে বিক্রি করা ১৬ ভরি স্বর্ণলংকার উদ্ধার করি। এ চুরির ঘটনায় জড়িত থাকা অন্য চারজনকে গ্রেপ্তার করার অভিযান চলছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
বাংলাদেশেরপত্র/এডি/আর