ডেস্ক রিপোর্ট:
রাজধানীর ধানমণ্ডিতে একজন গাড়ি চালককে ট্রাফিক সার্জেন্টের মারধরের ভিডিওচিত্র সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় অভিযুক্ত শিক্ষানবীশ সার্জেন্টকে প্রাথমিকভাবে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে ওই ঘটনাটিকে পুঁজি করে পুলিশের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে কোনো পূর্ব পরিকল্পনা, ভিডিও ধারণ এবং তা সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপিলটন পুলিশের ট্রাফিক (দক্ষিণ) বিভাগের উপ-কমিশনার খান মোহাম্মদ রেজোওয়ান।
মোহাম্মদ রেজোওয়ান জানান, ‘ট্রাফিক সার্জেন্টের মারধরের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত ট্রাফিক সার্জেন্টকে আপাতত ক্লোজড করা হয়েছে। একই সঙ্গে যে ফেসবুক পেইজটি থেকে ভিডিওটি প্রচার করা হয়েছে সে পেইজটির বিষয়েও খোঁজ নেয়া হচ্ছে। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে একটি বিশেষ মহল পুলিশের প্রতি বিদ্বেষ ছড়াতে তৎপরতা চালাচ্ছে’।
ধানমণ্ডি ৭/এ সড়কে ঘটা ওই ঘটনার ভিডিওচিত্র এখন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। শনিবার রাতে প্রকাশিত ওই ভিডিওচিত্রে অবৈধ পার্কিংয়ের দায়ে ইউসুফ ফরায়েজী নামের এক গাড়ি চালকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ট্রাফিক সার্জেন্ট মেহেদীকে চড়াও হতে দেখা যায়। ইউসুফকে রাস্তায় ফেলে মারধরের এক পর্যায়ে কয়েকজনকে বাধা দিতে দেখা যায় ভিডিওতে।
তবে গণমাধ্যমে প্রকাশিত ট্রাফিক সার্জেন্ট মেহেদী ও সহকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পার্কিং নিয়ম না মানায় কাগজপত্র চাইলে প্রথমে তা দিতে অস্বীকার করেন গাড়ি চালক ইউসুফ বরং ‘আমার বস আপনার মতো পুলিশকে পকেটে রাখে’ এমন কথা বলে সে।
মেহেদীর দাবি, সেসময় ওই চালককে গ্রেফতারে উদ্যত হতেই কয়েকজন ব্যক্তি এগিয়ে আসলে ইউসুফকে ধানমণ্ডি থানায় নেয়া হয় এবং গাড়িটিও থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেদিন রাতেই গাড়ির মালিকের উপস্থিতিতে চালক ইউসুফকে ক্ষমা প্রার্থনার পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণও দিতে হয়।
https://www.youtube.com/watch?v=uxt4co55HNk&feature=youtu.be