এ বিষয়ে টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম সাংবাদিকদের জানান, সিমকার্ড নিবন্ধনের কাজটি তিন ভাগে হবে। প্রথম ভাগে যাদের বৈধ নিবন্ধন আছে তাদের কিছুই করতে হবে না। দ্বিতীয় ভাগে যাদের একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে একাধিক সিম নেয়া আছে তাদের কাছে সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফোন অপারেটর থেকে এসএমএস দিয়ে জানানো হবে তিনি কোন কোন নম্বরটি রাখতে চান? ওই গ্রাহক ফিরতি এসএমএসে জানিয়ে দেবেন নম্বরটি। তাহলেই সেগুলো চূড়ান্ত করা হবে।
আর তৃতীয় ভাগে যাদের নিবন্ধন বৈধ নয় বা একেবারেই নিবন্ধন নেই তাদের সংশ্লিষ্ট অপারেটরের কাস্টমার সেন্টারে গিয়ে নতুন করে জাতীয় পরিচয়পত্রসহ সিম নিবন্ধন করে নিতে হবে। যারা এ কাজ করবে না তাদের নম্বর বন্ধ করে দেয়া হবে। পুনর্নিবন্ধনের অংশ হিসেবে এনআইডি কর্তৃপক্ষ তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান।
তবে সিম কার্ডের খুচরা বিক্রেতা ও ডিলারদের তালিকা করতে হবে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) থেকে পাঠানো সিম কার্ড নিবন্ধন সংক্রান্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন পাঠানোর পর এ কার্যক্রম শুরু হবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, এরই মধ্যে সিম নিবন্ধনের তথ্য যাচাইয়ের জন্য নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় ও নিবন্ধন অনুবিভাগে (এনআইডি) গ্রাহকদের তথ্য হস্তান্তর শুরু করেছে মোবাইল অপারেটররা। রোববার থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে এনআইডির সঙ্গে চুক্তির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে মোবাইল অপারেটররা।
বাংলাদেশেরপত্র/এডি/আর