মাদ্রাসার সূত্রে জানা যায়, শিশু আলী হায়দার (১০) কে অজ্ঞাত তিন ব্যাক্তি মুখে কসট্যাপ মেরে চোখ বন্ধ করে জোড় পূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় মুখের ট্যাপ খুলে গেলে সে চিৎকার করলে অপহরণকারীরা তার গলা টিপে ধরে এক পর্যায়ে সে ধস্তা ধস্তি করে দৌরে পালিয়ে আসে।
প্রতক্ষদর্শী আব্দুর রাজ্জাক ও সোহাগ জানায়, শিশুটি দৌরে বাড়িতে এসে আমাদের জাপটে ধরে বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করতে থাকে। এক পর্যয় ঘটনা জানতে পেরে গ্রামবাসী অপহরণ করীকে ধাওয়া দিলে কাউকে আটক করতে পারেনি।
এ সময় মাদ্রাসার শিক্ষক, ছাত্র, ম্যানেজিং কমিটির লোকজন খবর পেয়ে আলী হায়দারকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। খবর পেয়ে তেঁতুলিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব রেজাউল করিম শাহিন দ্রুত মাদ্রাসায় ছুটে আসেন এবং অসুস্থ ছাত্রের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
এ বিষয়ে মাদ্রাসার সুপার নবীর উদ্দীন জানান, ঐ ছাত্র মাদ্রাসা থেকে লজিং বাসায় রাতের খাওয়া করতে যাওয়ার সময় অপহরণ কারীদের হাতে পড়ে। আল্লাহর কৃপায় সে আমাদের কাছে ফিরে এসেছে। এ বিষয়টি তেঁতুলিয়া মডেল থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।