স্টাফ রিপোর্টার : মিরপুরে দুই ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে দ. আফ্রিকার বিপক্ষে ৫২ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারের আগেই ১৮.৫ ওভারে ৯৬ রানে অলআউট হয় তামিম-সাকিবরা। ফলে ৫২ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে প্রোটিয়ারা। এক পর্যায়ে ১৪.৫ ওভারে দলীয় ৮৬ রানেই ৭ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ওভারের শেষ বলে অ্যাবোটের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ব্যক্তিগত ৫ রানে ফিরেন ওপেনার তামিম ইকবাল। এরপর দ্বিতীয় ওভারের ৫ম বলে রাবাদার শিকার হন সৌম্য সরকার। এরপর মুশফিক-সাকিব জুটি ৩৭ রান যোগ করলেও মুশফিকের আউটের পর আর কোনো উল্লেখযোগ্য জুটি গড়ে ওঠেনি বাংলাদেশের।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন সাকিব। এছাড়া লিটন দাস ২২ ও মুশফিকুর রহমান ১৭ রান করেন। দ. আফ্রিকার হয়ে রাবাদা ওয়েজ ও ডুমিনি ২টি করে উইকেট লাভ করেন।
এর আগে, ম্যাচের প্রথম ইনিংসে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৪৮ রান করে প্রোটিয়ারা। দলের হয়ে অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস ৭৯, রিলে রুশো ৩১, জে পি ডুমিনি ১৮ ও ডি কক ১২ রান করেন।
টাইগারদের হয়ে আরাফাত সানি ২টি, নাসির ও সাকিব ১টি করে উইকেট নিয়েছেন। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই টাইগার স্পিনে বিভ্রান্ত হয় প্রোটিয়ারা। দলের হয়ে ওপেন করতে নামেন এবি ডি ভিলিয়ার্স ও কুইন্টন ডি কক।
প্রথম ওভারের শেষ বলেই টাইগারদের হয়ে আঘাত হানেন স্পিনার আরাফাত সানি। ফিরে যান এবি ডি ভিলিয়ার্স। এরপর ৫ম ওভারের প্রথম বলে প্রোটিয়া শিবিরে আবারও আঘাত হানেন নাসির। কুইন্টন ডি কককে দলীয় ৩১ রানে লিটন দাশের ক্যাচ বানিয়ে ফেরত পাঠিয়েছেন তিনি।
ব্যক্তিগত ২ রানে ডি ভিলিয়ার্স ও ১২ রান করে ডি ককের আউটের পর উইকেটে আসেন অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস ও জে পি ডুমিনি।
তৃতীয় উইকেট জুটিতে ডুমিনি ও ডু প্লেসিস ৪৬ রান যোগ করার পর ১২তম ওভারে বল করতে এসে আবারও উইকেট নেন আরাফাত সানি। নাসিরের ক্যাচ বানিয়ে ডুমিনিকে ফিরিয়েছেন তিনি। এরপর দলীয় ৯০ রানে সাকিবের বলে মিলারের উইকেট হারায় দ. আফ্রিকা। মিলার ফিরে যান ব্যক্তিগত ১ রানে।
এ ম্যাচে সাকিব বাংলাদেশের হয়ে টি-টেয়েন্টিতে আব্দুর রাজ্জাকের ৪৪ উইকেট ছাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৪৫ উইকেটের মালিক হন।