তিনি আরো বলেন, ‘সরকার কৃষিবান্ধব নীতি গ্রহণ করে ২০০৯ সাল থেকে কৃষিখাতের উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। ফলে দেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ‘জাতীয় মৌ মেলা-২০১৮’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এবারের মৌ মেলার প্রতিপাদ্য ‘ফসলের মাঠে মৌ পালন, অর্থ পুষ্টি বাড়বে ফলন’ যথার্থ হয়েছে।’
তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে মধু উৎপাদনের সম্ভাবনার তুলনায় মাত্র ১০ ভাগ মধু উৎপাদন হচ্ছে। মধু উৎপাদন বৃদ্ধি করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অচিরেই মধুর কাঙ্খিত উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সক্ষম হব।
সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মধুসহ কৃষির সামগ্রিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে পুষ্টিসমৃদ্ধ ও মেধাবী জাতি গঠনের মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে সক্ষম হবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এসময় তিনি ‘জাতীয় মৌ মেলা-২০১৮’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।