বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আ.লীগের প্রবীন নেতা ও সমাজ সেবক ডা. মোশারফ হোসেন । অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা পরিষদের ভাইসচেয়ারম্যান শাহ মো. আলমগীর, উপজেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি মো. সাদেকুল ইসলাম, আমীর হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউর রহমান মানিক, কেন্দ্রীয় বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি ছানোয়ার হোসেন , কারিগরি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল , ইউপি চেয়ারম্যান মো. রহিম বাদশা, মনোয়ার হোসেন, সরোয়ার হোসেন, রাশেদুল কবির রাজু, এনামুল হক, ওয়ার্ড ইউনিয়নের কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সদস্যবৃন্দ, ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান সবুজ, সুশিল সমাজের নেতৃবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বজলুর রশীদ বলেছেন, আসন্ন ঈদুল ফিতরের জামায়াতের নামাজে বহিরাগত ও অপরিচিত মানুষ দেখলে খোঁজ খবর নিয়ে থানায় সংবাদ দিবেন। দেশের আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় রাখতে এলাকার সচেতন ব্যাক্তিবর্গদের এগিয়ে আসতে হবে। যারা সন্ত্রাস করে মানুষ হত্যা করে তারা দেশ ও জাতীর শত্রু, এদের বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।
অফিসার ইনচার্জ মো. ইসমাইল হোসেনে সভাপতিত্বে বলেন, আপনারা নির্বিঘ্নে ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন আপনাদের নিরাপত্তার জন্য আমরা সার্বক্ষণিক নিয়োজিত রয়েছি।
পড়ে উপজেলা সদরে জামে ইসলামীয়া হাফেজিয়া কেরাতিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বজলুর রশীদ এতিম নিবাসিদের সাথে ইফতারে অংশগ্রহন করেন। এ সময় উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারন সম্পাদক আল-আলিমুল রাজি, মিডিয়া ও সাংস্কৃতিক কর্মী মো. সুলতান মাহমুদ, এতিম খানার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. আব্দুল খালেক উপস্থিত ছিলেন।