পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তিনটি বিষয় সামনে রেখে রথীশচন্দ্রের অনুসন্ধান করা হচ্ছে। তা হলো- জামায়াত ও জঙ্গি সংগঠনের জোট, হিন্দু ট্রাস্ট বোর্ডের অর্থ-সম্পদ এবং পারিবারিক কলহ। এসব বিষয়ে নিয়ে এই উদ্ধার অভিযানকে ঘিরে পুলিশ, র্যাব, ডিবি, বিএসবি, এফপিবি’র সদস্যরা মাঠে কাজ করছেন।
রথীশচন্দ্র গত শুক্রবার নিখোঁজ হন বলে তার পরিবার জিডি করে। এ ঘটনায় পুলিশ নয়জনকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তার সন্ধান দাবিতে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদ ও পূজা উদযাপন পরিষদ সোমবার থেকে রংপুরে অনশন কর্মসূচি চালাচ্ছে।
মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার সাক্ষী ছাড়াও রথীশচন্দ্র জাপানের নাগরিক কুনিও হোশি ও মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায়ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।
এদিকে, ওই ডোবা সংলগ্ন একটি বাঁশঝাড়ের কাছে একটি পুরাতন ও ছেঁড়া শার্ট পাওয়া যায়। শার্টটা নেড়েচেড়ে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা জানান, এটা পুরাতন বলে কেউ ফেলে গেছে।
রক্তাক্ত শার্ট উদ্ধারের বিষয়ে রথীশ চন্দ্র ভৌমিকের ছোট ভাই সাংবাদিক সুশান্ত ভৌমিক জানিয়েছেন, এটা গুজব।