বেনজীর আহমেদ কয়েকজনের খোঁজ পাওয়ার কথা বললেও কোনো সুনির্দিষ্ট সংখ্যা বলেননি। তারা কোথায় রয়েছে, তাও জানাননি তিনি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জঙ্গিদের তালিকা করা, নজরদারি করা একটি চলমান প্রক্রিয়া, সেটি অব্যাহত রয়েছে।
বাংলাদেশে দুই জঙ্গি হামলা ও বাইরের দেশের জঙ্গি হামলার কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না- সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে বেনজীর আহমেদ বলেন, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না। এই ঘটনায় যারা জড়িত তাদেরও তদন্তের মাধ্যমে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হবে।
গুলশানে নিহত তিনজন বেশ আগে থেকে পরিবারের কাছে নিখোঁজ থাকার তথ্য প্রকাশ পাওয়ার পর শোলাকিয়ায় পুলিশের উপর হামলায় জড়িত একজনও ঘরছাড়া ছিলেন বলে জানা যায়। সমাজের উচ্চ স্তরের পরিবারের এসব যুবক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। তারা জঙ্গি কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে হামলা চালানোর সময় নিহত হন বলে জানায় পুলিশ। এরপর আরও ১০ যুবকের সন্ধান পেতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা চায় তাদের পরিবার।
নিখোঁজরা হলেন- ঢাকার তেজগাঁওয়ের মোহাম্মদ বাসারুজ্জামান, বাড্ডার জুনায়েদ খান (পাসপোর্ট নম্বর- এ এফ ৭৪৯৩৩৭৮), চাঁপাইনবাবগঞ্জের নজিবুল্লাহ আনসারী, ঢাকার আশরাফ মোহাম্মদ ইসলাম (পাসপোর্ট নম্বর-৫২৫৮৪১৬২৫), সিলেটের তামিম আহমেদ চৌধুরী (পাসপোর্ট নম্বর-এল ০৬৩৩৪৭৮), ঢাকার ইব্রাহীম হাসান খান (পাসপোর্ট নম্বর-এ এফ ৭৪৯৩৩৭৮), লক্ষ্মীপুরের এ টিএম তাজউদ্দিন (পাসপোর্ট নম্বর- এফ ০৫৮৫৫৬৮), ঢাকার ধানমণ্ডির জুবায়েদুর রহিম (পাসপোর্ট নম্বর-ই ১০৪৭৭১৯), সিলেটের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ ওজাকি (পাসপোর্ট নম্বর-টি কে ৮০৯৯৮৬০) ও জুন্নুন শিকদার (পাসপোর্ট নম্বর-বি ই ০৯৪৯১৭২)।