জিডি ও পরিবার সূত্রে জানাগেছে, সিথী রানী দাস ২০১৫ সালের এসএসসি পরীক্ষা শেষ করে পলিটেকনিক কলেজে ভর্তি হবার জন্য ঝিনাইদহ কেসি কলেজের সামনের একটি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়। প্রতিদিন সে বাড়ি থেকে ঝিনাইদহে কোচিং করতে যেত। গত ১১/০৫/২০১৫ তারিখে সকাল ৯ টার দিকে কোচিংয়ে যাবার উদ্দেশ্যে সে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকে সিথীর আর কোন খোঁজ মেলেনি। তার উচ্চতা ৪ ফুট ৬ ইঞ্চি, গায়ের রং ফর্সা, মুখমন্ডল গোলাকার। নিখোঁজের দিন তার পরনে হালকা ব্লু রং এর থ্রি পিচ পরা ছিল। আতœীয় স্বজের বাড়িতে খোঁজাখুজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তার পিতা অসিত চন্দ্র দাস কালীগঞ্জ থানায় একটি জিডি করেছেন।