অশোক রায়ের আপন ভাইপো বিপ্লব রায় জানান, রবিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে স্কুল পাহার দেয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। পরে ঐরাতে তিনি আর বাড়িতে ফিরে আস না। ২দিনপর সোমবার সকাল সাড়ে ৭টায় ঐগ্রামের নাথুরামের বাড়ির ঘাটে কাকুর লাশের সন্ধান পাই। তার ঘাড়ে কোপের চিহ্ন ছিল। এদিকে ঐস্কুলের প্রধান শিক্ষক অপূর্ব বিশ্বাসের নিকট অশোকের মৃত্যুর কারন জানতে চাইলে তিনি জানান, অশোক একজন নিরীহ প্রকৃতির মানুষ ছিলেন।
এছাড়া আমি আর কিছুই জানি না। ঐ স্কুলে নিয়োগ নিয়ে গুণজন শুনা গেলে আগদিয়ারচর মিলন অধিকারীকে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, রামনগরচর কৃঞ্চলতা বালিকা বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রায় দেড়বছর আগে অশোক রায়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে মোট ৫লক্ষ টাকা দেয়া হয়। স্থানীয় লোকজনের সংবাদেরভিত্তিতে নড়াইল সদরের বিছালী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মহিউদ্দিন অশোক রায়ের লাশ হরিনদী থেকে উদ্ধার করেন। সদর থানায় অজ্ঞাত আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। লাশ ময়না তদন্ত শেষে তার স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। গত শনিবার রাতের পর থেকে অশোককে না পেয়ে পরের দিন রবিবার সন্ধ্যার পরে নড়াইল সদর থানা একটা জিডি করা হয়। জিডি নং-২১১, তারিখ-৬/৯/২০১৫।
বাংলাদেশেরপত্র/এডি/আর