মাদ্রাসার সুপার তোফাজ্জল ও ছাত্রছাত্রীরা বলেন, ইয়ামিন নামের ৭ম শ্রেণির ছাত্র সে কিছুদিন থেকে মাদ্রাসার কয়েকজন ছাত্রীকে উত্যক্ত করতো। উত্যক্ত করার অভিযোগে সহকারী শিক্ষক ইউনুস আলীসহ অন্য শিক্ষকরা ইয়ামিনকে অফিসে ডেকে এনে শাসিয়ে দেন। শাসানোর বিষয়টি ইয়ামিন অপমান বোধ করায় সে তার পরিবারের লোকদেরকে বিভিন্ন কথা বানিয়ে উল্টো শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। এতে তার বাবাসহ পরিবারের অন্য লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মোটর সাইকেল যোগে শিক্ষক ইউনুস মাদ্রাসার গেটে আসা মাত্র ইয়ামিনের বাবা ইসমাইল ও তার আত্মীয় স্বজন লাঠি-সোটা দিয়ে শিক্ষককে এলোপাতারী ভাবে পেটাতে থাকে। শিক্ষকের আত্ম চিৎকারে অন্যান্য শিক্ষক ও এলাকাবাসী এগিয়ে এলে ইসমাইল ও তার লোকজন পালিয়ে যায়।
পরে শিক্ষকরা তাকে মূমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে মহীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, সেখানে তার অবস্থার উন্নতি না হলে চিকিৎসাকের পরামর্শে আহত শিক্ষককে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সঙ্গাহীন অবস্থায় সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে তার পারিবারের স্বজনরা জানায়।