শেষ পর্যন্ত অনেকটা বাধ্য হয়ে বিপিএল বন্ধ করে দিয়েছিল বিসিবি। তাছাড়া চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করায় বিসিবি বাতিল করেছে আগের সাত ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা। কারণ এখনও পর্যন্ত বোর্ডের বকেয়া পরিশোধ করেনি তারা। বারবার নোটিশ দিলেও কোনো রকম গুরুত্ব দেয়নি ফ্র্যাঞ্চাইজিরা। তাই তাদের বাদ দিয়েই নতুন করে চার বছরের জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজি বিক্রির টেন্ডার আহ্বান করেছে বিসিবি। ১৭ আগস্ট যার সময়সীমা শেষ হবে।
আগের সাত দলের কাছে ৬৯ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে বিসিবির। দলগুলোকে বাদ দিয়েই নতুন টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। তাহলে কি ৬৯ কোটি টাকা গচ্চা দিবে বোর্ড? বিপিএলের কার্যকরী পরিষদের সদস্য সচিব আই এইচ মল্লিক জানিয়েছেন, কখনোই বকেয়া টাকার প্রশ্নে ছাড় দেবে না বিসিবি। প্রক্রিয়া অনুযায়ী বকেয়া আদায় করতে বাতিল হওয়া ফ্র্যাঞ্চাইজিদের বিরুদ্ধে মামলা করবে বিসিবি।
বুধবার বিপিএলের বকেয়া টাকার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে আই এইচ মল্লিক বলেন, ‘ওটা তো আমাদের লিগ্যাল বিভাগ দেখভাল করছে, ইতোমধ্যে তারা আরবিট্রেশনে গেছে। আরবিট্রেশনেও তাদের সঙ্গে যদি কোনো সমাধানে না আসে, তাহলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে মামলা করব।’
এদিতে শোনা যাচ্ছে আগের ঐ সাত দলের মধ্যে অন্তত তিনটি দল বিপিএলের আসন্ন আসরে খেলবে। সেক্ষেত্রে বাতিল হওয়া বাকি দলগুলোর কাছ থেকে বকেয়া টাকা আদায়ে আশাবাদী বিপিএলের কার্যকারী পরিষদের এই কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এক টাকাও বাকি থাকলে পাওয়ার আশা অবশ্যই করবো। কারণ আমরা তো মামলা করে দেব তখন।’ যেসব দল তৃতীয় আসরেও বহাল থাকছে তাদেরকে অবশ্যই সবকিছুর আগে বকেয়া পরিশোধ করতে হবে। এ বিষয়ে আই এইচ মল্লিক বলেন, ‘টাকা না দিয়ে তারা কোনো কিছুতে পরবর্তীতে এগুতে পারবে না।’
বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, দুই আসর শেষে সর্বোচ্চ বকেয়া আছে চিটাগং কিংসের। ১৩ কোটি ৯৪ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে দলটির। সর্বনিম্ন বকেয়া দ্বিতীয় আসরে নতুন দল হিসেবে খেলা রংপুর রাইডার্সের। তাদের কাছে ৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকা পাওনা আছে বিসিবির। সিটিজিনিউজ.কম