জানাযায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির নাইট গার্ডের দায়িত্বের অবেহেলার কারনে এই চুরির ঘটনাটি ঘটেছে। এবিষয়ে নাইড গার্ড মো. ইব্রাহীম মিয়া জানান, ‘স্কুলের তিনটি ছোট বড় গেট তার মধ্যে সবসময় খেলা থাকে ২টি, আমি রাত ২টা পর্যন্ত স্কুলে ছিলাম পরে বাড়িতে গিয়েছি কারন রাত পোহালেই স্কুল কমিটির নির্বাচন আর তাই স্কুলের চার পাশে লোকজন যাতায়াত করতো তাই ভেবেছিলাম এরকম হবেনা। ফজরের নামাজ পড়ে এসে দেখি অফিস রুমের দরজা ও আলমারি খেলা এবং কাগজ পত্রাদি এলোমেলো অবস্থায় পড়ে আছে’। দায়িত্বের অবেহেলা বিষয়ে তিনি বলেন হ্যাঁ কিছুটা অবেহেলা আছে তবে আমি ভাবতে পারিনি আজ এরকম দুর্ঘটনা ঘটবে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠনের হিসাব রক্ষক মো. আমির উদ্দীন চুরির ঘটনার বিষয়ে জানান, ২টি কক্ষের সব আলমারির লকযুক্ত তালাগুলো ভেঙ্গে আমাদের প্রয়োজনীয় কাগজ সব এলোমেলো করে ফেলে গেছে এবং গত ২৭শে অক্টোবর থেকে শিক্ষার্থীর বেতন আদায়, ভারপ্রাপ্ত অধ্যাক্ষের উত্তোলনকৃত বেতনের টাকা এবং অন্যান্য টাকাসহ নগদ ৭৫,০৩০টাকা(পচাত্তর হাজার ত্রিশটাকা) চুরি হয়েছে।
দেউতি স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ এবিএম মিজানুর রহমান জানান, চুরির ঘটনাটি অত্যান্ত দুঃখ জনক। ওসি এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন আজ প্রতিষ্ঠানে গভার্নিং বডির নির্বাচন চলছে নির্বাচন শেষ হলে আমরা এ বিষয়ে যথাযত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মো. তোফাজ্জর হোসেন জানান, বিষয়টি আমরা থানাতে অবগত করেছিলাম ওসি এসে পরিদর্শন করেছেন কলেজে আজ নির্বাচন ছিলো নির্বাচনের ঝামেলা শেষে আমরা থানায় আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহন করবো।
পীরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলাম চুরির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন এ বিষয়ে আমাদের কাছে এখনো অভিাযোগ হিসেবে আসেনি অভিযোগ আসলে আমরা বিষটি দেখবো।