আঁখি মনি’র মা জয়নব নেছা বলেন, বাড়ির পাশে গড্ডিমারী হাটখোলা’তে পুরাতন কাপড় সেলাই করে দুই মেয়েকে নিয়ে কোন রকম বেচেঁ আছি। মেয়ের ইচ্ছা লেখাপড়া করা কিন্তু আমার সেই আর্থিক সমর্থন নেই। কিছু টাকা পেলে ওই টাকা দিয়ে নতুন কাপড় কিনে ছোট বাচ্চা ও মেয়েদের কাপড় তৈরী করে গ্রামে গ্রামে ঘুরে বিক্রি করে যে লাভ হবে তা দিয়ে মেয়ের লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারবো। কিন্তু সেই অর্থ আমার নেই।
আঁখি মনি বলেন, যত বাঁধাই হোক, আমি এগিয়ে যাবো। আমার মত আর কেউ যেনো চিকিৎসার অভাবে বাবা হারা না হয়। সেই লক্ষেই আমাকে এগিয়ে যেতে হবে।
ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আতোয়ার রহমান বলেন, মেয়েটি পিএসসি ও জেএসসিতে গোল্ডন এ প্লাস ও বৃক্তি পেয়েছে। সুযোগ পেলে সে তার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে। এত কিছুর মাঝেও এগিয়ে যেতে চলছে আঁখি মনি’র নিরন্তর চেষ্টা। কিন্তু জীবনের ফুল ফোঁটাবে কি ভাবে ? এই ভাবনা তাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে প্রতিনিয়ত।
হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুল লতিফ বলেন, আঁখি মনি মেধাবী ও গরীব। তার মা অন্যের বাড়িতে আশ্রিত। তার লেখাপড়ার জন্য সহযোগিতা প্রয়োজন।