সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শত শত আখচাষী তাদের আখ নিয়ে মিলগেটে অবস্থান করছে। এদিকে বাইরের কেন্দ্র থেকে আসা আখের স্তুপ জমে পাহাড় সমান উচু হয়েছে। মাড়াই মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে ঘন ঘন মাড়াই কাজ বন্ধ থাকার ফলে বয়লারে প্রয়োজনীয় জ্বালানী সরবরাহ করতে না পারায় মিলের বিদ্যুত উৎপাদন কেন্দ্র সহ মাড়াই কাজ সম্পূর্র্ন বন্ধ হয়ে যায়।
সর্বশেষ রাজশাহী চিনিকল থেকে জ্বালানী হিসাবে আখের ছোবরা এনে তার সাথে কাঠখড়ি জ্বালিয়ে বয়লার চালু করার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এমতাবস্থায় আখ নিয়ে আসা শত শত আখচাষী সংঘবদ্ধ হয়ে মিল এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল শুরু করলে মিলের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আব্দুর রউফ খান চাষীদের আখ ওজন করে ইয়ার্ডে রাখার আশ্বাস দিলে চাষীরা নিবৃত হয়।
মিল চালু হওযার পর থেকে এই চিনিকলে ক্রয়কৃত আখের একটি টাকাও অদ্যবধি পরিশোধ করা হয় নাই। এ ব্যাপারে মিল কর্তৃপক্ষ খুব শিঘ্রি আখের মূল্য পরিশোধ করা হবে বলে চাষীরে আশ্বস্ত করেছেন।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে আখচাষীদের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আখচাষী নেতৃবৃন্দের মধ্যে আকরাম হোসেন মিয়া, রেজাইল হক ঝুটু, মোঃ উসমান গনি, সিরাজুল ইসলাম, আঃ সালাম মোল্লা, মুজিবর রহমান, আব্দুল হাই বাশি প্রমুখ। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত চিনিকল চালু হওয়ার সংবাদ পাওয়া যায় নাই ।