ফরিদপুর থেকে খালেদুর রহমান/ আহম্মদ ফিরোজ ঃ ফরিদপুরের সদর উপজেলার অম্বিকাপুর নিজ বাড়িতে ১৩ই জানুয়ারী হতে শুরু হয়েছে মাস ব্যাপী জসিম মেলা। এ মেলা চলবে ১১ই ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত , প্রতি বছর এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। পল্লি কবি জসিমউদ্দিনের নামে অনুষ্ঠিত হওয়া এ মেলায় প্রতি দিন সাজানো থাকে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দিয়ে। এখানে এসে মানুষের মনে পরে যায় পুরোনো দিনের গ্রামের সেই হারানো কথা। মানুষ মেলায় এসে বুক ভরা শান্তি নিয়ে বাড়ি ফিরত। কিন্ত এবারের জসিম মেলাকে কলঙ্কিত করেছে র্যাফেল ড্র নামের জুয়ার আসর। প্রতি দিন নিঃস্ব হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ।শত শত পরিবারে প্রতি দিন জা¦লে উঠছে অশান্তির দাবানল। টিকিট কিনার টাকা যোগাতে যুবকেরা জড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন অপরাধের সাথে।বাচ্চা থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত জড়িয়ে পড়ছে এ মায়াবী জুয়ার জালে। সাধারন মানুষের সরলতাকে কাজে লাগিয়ে জুয়াড়িরা হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। টিকিট বিক্রিকারক ১২৯ নং ড্রাম ধারী ইউনুছ আলী জানান প্রতিদিন দুইশত ড্রাম নিয়ে তিন শতাধিক কর্মী টিকিট বিক্রি করতে বের হয়।তাদের এ অভিযান চলে সারা ফরিদপুর জুড়ে। প্রতিদিন কমপক্ষে আড়াই থেকে তিন লক্ষ টিকিট বিক্রি করে যার মুল্য ২৫/৩০ লক্ষ টাকা। অথচ পুরুস্কার হিসাবে ব্যায় করা হয় ৪/৫ লক্ষ টাকা।প্রতি দিন প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এ জুয়াড়ি চক্র। এক দিকে এ জুয়ার আসর কবি জসিমউদ্দিনের আদর্শকে ধুলিস্বাত করছে অন্যদিকে সাধারন মানুষকে করছে নিঃস্ব।সচেতন ফরিদপুর বাসী মনে করে এ জুয়ার কোন সুফল নেই। দীর্ঘ দিন এটি চলতে থাকলে যুব সমাজ বিপথগামী হতে বাধ্য।দ্রুত এ মরন খেলা বন্ধ হওয়া উচিত। জুয়া সংক্রান্ত বিষয়ে ফরিদপুর পুলিশ সুপার সুভাষ চন্্র সাহা জানান জেলা প্রশাসক মহদয় বললে ব্যবস্থা নিব। এ ব্যাপারে জসিমউদ্দিন ফাউন্ডেশনের সভাপতি জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া বলেন র্যাফেল ড্র এর ব্যাপারে কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে।