তিনি আদালতকে জানান, তাঁর কন্যা ভুয়ো বয়স লিখে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলেছিল। ১৩ বছর বয়সের আগে ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খুলতে দেওয়া হয় না। কিন্তু, যিনি অ্যাকাউন্ট খুলতে চাইছেন, তাঁর প্রকৃত বয়স যাচাই করে নেওয়ার কোনও ব্যবস্থা ফেসবুক কর্তৃপক্ষ রাখেননি। তাই তাঁর কন্যা ১১ বছরেই ফেসবুকে একাধিক অ্যাকাউন্ট খুলতে পেরেছিল। সেখানে নিজের বিভিন্ন ছবি সে আপলোড করত এবং একাধিক পুরুষকে অনলাইন যৌনাচারে আহ্বান করত।
সেই সুযোগ নিয়ে অনেকেই তাঁর কন্যাকে নানাভাবে শোষণ করেছে বলে উত্তর আয়ারল্যান্ডের সেই অভিযোগকারী বাবা দাবি করেছেন। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ প্রকৃত বয়স যাচাই করে নিলে এই পরিস্থিতি তৈরি হত না বলে অভিযোগকারীর দাবি। অ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতিতে এই গলদ থাকার ফলে আরও অনেকেই এই ধরনের শোষণের শিকার হতে পারে বলে তাঁর আশঙ্কা।
কয়েক বছর ধরেই এ নিয়ে আইনি জটিলতা চলছিল। আদালতের রায় আসা পর্যন্ত এই জটিলতা আর জিইয়ে রাখতে চাননি মার্ক জুকেরবার্গের আইনি পরামর্শদাতারা। তাই আদালতের বাইরেই নিষ্পত্তির ব্যবস্থা। কত টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়া হয়েছে তা অবশ্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানাননি। অভিযোগকারী ও তাঁর পরিবারের পরিচয়ও গোপন রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশেরপত্র/এডি/আর