খবর পেয়ে পুলিশ, ডিবি, র্যাব ও সিআইডির ক্রাইম সিনের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। ময়না তদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ভাটারা থানার ওসি নুরল মুত্তাকিন বলেন, ‘ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে জানা গেছে। তবে এর কারণ জানা যায়নি। বিষয়টি রহস্যজনক বলে মনে হচ্ছে।’
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বারিধারার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ডি ব্লকের ৬ নম্বর রোডের ২০৪ নম্বর বাড়ির বি-১ এর ফ্লাটে কয়েকজন ছাত্র মেস করে থাকে। সেখানেই ছিলেন হৃদয়। মাঝে-মধ্যে মিরা তাদের মেসে আসতেন। শুক্রবার দুপুরেও আসেন। মেসের সদস্য ইসরাত হোসেন রাতে বাসায় ফিরে দেখেন হৃদয়ের কক্ষে দুই জন একই ফ্যানে ঝুলছেন। পরে ইসরাত পুলিশের কাছে খবর দেন।
বাংলাদেশেরপত্র/এডি/আর