এসময় মহানগর আওয়ামীলীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট দিলশাদ ইসলাম মুকুল, মহানগর আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান ময়না, যুবলীগ নেতা আবু সুফিয়ান মুকুল, বাবুল ইসলাম, ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইদ্রিস আলী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত কর্মকর্তা পরিষদের যুগ্ন সম্পাদক আতিকুজ্জামান সুমন, সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নিখিল চন্দ্র বর্মন, অর্থ ও হিসাব বিভাগের উপ-পরিচালক রেজাউল করীম শাহ, উপ-রেজিস্ট্রার মোঃ আলী হাসান প্রমুখ বক্তৃতা করেন।
বক্তারা বলেন বেগম রোকেয়া বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ৯ বছরে যা কিছু অর্জিত হয়েছে তার সবই সাবেক ভিসি আব্দুল জলিল মিয়ার আমলে হয়েছে। আজ এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬টি অনুষদ, ২১টি বিভাগ, আবাসিক ভবন, আবাসিক হল, একাডেমিক ভবন, লাইব্রেরিসহ যা দৃশ্যমান, সবই আব্দুল জলিল মিয়ার চার বছরের অবদান। কিন্তু তার সাফল্যময় কর্মকান্ডে একটি বিশেষ মহল তাদের স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে ঈর্ষান্বিত হয়ে ষড়যন্ত্রমুলকভাবে তার বিরুদ্ধে আন্দোলনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কর্মকান্ডকে বাধাগ্রস্থ করেছে। তার বিদায়ের পর থেকে তথা ২০১৩ সাল থেকে পরবর্তী চার বছরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগ বৃদ্ধি কিংবা ভৌত অবকাঠামোর কোন উন্নয়ন হয়নি। ১০ তলা বিশিষ্ট শেখ হাসিনা হল ও ড. ওয়াজেদ রিসার্চ ইনস্টিটিউট নামে যে দুইটি ভবনের নির্মাণ কাজ হচ্ছে সেট্ওা আব্দুল জলিল মিয়ারই অবদান। তিনিই এই বিশেষ প্রকল্পের প্রস্তাব করে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অগ্রায়ন নিয়েছিলেন।
এসময় বক্তারা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের রুপকার সাবেক ভিসি আব্দুল জলিল মিয়ার নি:শর্ত মুক্তি ও তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।